তারামন বিবির মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের শোক প্রকাশ

বীরপ্রতীক তারামন বিবির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

শোক বাণীতে তারা স্বাধীনতা যুদ্ধে এই বীর মুক্তিযোদ্ধার অবদানের কথা স্মরণ করে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

শুক্রবার রাতে কুড়িগ্রামের রাজিপুরে নিজ বাড়িতে মারা যান তারমন বিবি। বাংলাদেশে বীর প্রতীকের মর্যাদায় ভূষিত দুইজন নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন তিনি।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শনিবার এক শোক বার্তায় তারামন বিবির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদানের কথা স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, “জাতি এবং স্বাধীনতা প্রিয় জনগণ চিরকাল তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।”

আবদুল হামিদ মরহুমার রুহের শান্তি ও মুক্তি কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে এক শোকবার্তায় মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবির অসামান্য অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে তারামন বিবি অস্ত্র হাতে নিয়ে যে সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন, তার সেই অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

প্রধানমন্ত্রী তার রুহের শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেন এবং তারামন বিবির শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার নিজ বাসভবনে ভোররাতে তারামন বিবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

বীরপ্রতীক তারামন বিবির মৃত্যুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

এক শোকবাণীতে স্পিকার বলেন, “তারামন বিবি ছিলেন একজন নিবেদিত প্রাণ দেশপ্রেমী। তার মৃত্যুতে দেশ মুক্তিযুদ্ধের এক অকুতোভয় বীরসেনানীকে হারালো। এ দেশের মুক্তির জন্য তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।”

স্পিকার মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

তারামন বিবি শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার কাচরিপাড়ায় তার নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহে…রাজিউন)।

তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিস ও ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছিলেন।

তারামন বিবি তার স্বামী আবদুল মজিদ, এক কন্যা ও এক পুত্র রেখে গেছেন।

তারামন বিবি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here